thereport24.com
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮, ৩ কার্তিক ১৪২৫

চাঁদাবাজি শূন্য করতে পারিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০১৬ জুন ০৪ ১৬:৪৯:২৭
চাঁদাবাজি শূন্য করতে পারিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : চাঁদাবাজি আগের চেয়ে অনেক কমেছে তবে শূন্য করতে পারেননি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে শূন্যে নামিয়ে আনতে চান। পণ্য যাতায়াতে ব্যবসায়ীদেরকে পুলিশি ও রাজনৈতিক চাঁদাবাজির স্বীকার হতে হয় এমন অভিযোগের ভিত্তিতে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।

শনিবার (৪ জুন) ‘রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ী ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়ক ভূমিকা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। নিজ কার্যালয়ে সভার আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

প্রধানমন্ত্রী কোন ধরনের দলীয় চাঁদাবাজি পছন্দ করেন না বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরিবহন চাঁদাবাজিরোধে এরইমধ্যে গোয়েন্দা বিভাগ কাজ করছে। পণ্য যাতায়াতে ব্যবসায়ীদের কোন সমস্যা হলে জানানোর আহবান করেন। সে অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, রমজান মাসকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে শপিংমল, পরিবহনখাত, অজ্ঞান ও মলম পার্টি, যেসব জায়গায় নারীদের সমাগম হয়, জালটাকা ইত্যাদি ক্ষেত্রে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে মলম ও অজ্ঞান পার্টিদের কার্যক্রম নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করা হয়েছে। যা ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদিতে প্রচার করা হবে। চাঁদাবাজিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে ডিএমপি অঙ্গীকারবদ্ধ।

ডিএমপি কমিশনার আরো বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য বর্তমানকালে ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ কমেছে। যে কারণে রমজান মাসে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ে। যথেষ্ট পরিমাণ পণ্য মজুদ থাকা সত্ত্বেও দাম বাড়ার কারণ কি এমন প্রশ্ন রাখেন ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে। কোথায় কি পরিমাণ ডাল, ছোলা, চিনি, তেল মজুদ আছে তা আমরা জানি। এসব পণ্য মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হলে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে মূল প্রবন্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. জিয়াউর রহমান বলেন, কঠোর নিরীক্ষা ব্যবস্থার অভাব, বাস্তবায়নহীন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, দুর্বল আইনের প্রয়োগ, সরকারের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অভাব, রাজনীতিতে জড়িত ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে সরকারের দুর্বলতা ইত্যাদির কারণে রমজানে মাসে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যায়।

ব্যবসায়ীরা বলেন, ঢালাওভাবে ব্যবসায়ীদেরকে অসাধু বলা হয়। এটা ঠিক না। অসাধু ব্যবসায়ী যদি থেকে থাকে তা রয়েছে সরকারের ছত্রছায়ায়। এসব অসাধু ব্যবসায়ীদেরকে ধরে শাস্তি দেওয়া হোক।

তাদের মতে, রাস্তাঘাটে পণ্য যাতায়াতকালে পুলিশ, রাজনৈতিক ও মার্শাল বাহিনীর চাঁদাবাজির কবলে পড়তে হয়, যার প্রভাব পড়ে পণ্যের মূল্যের উপরে। দ্রব্যের দাম ঠিক রাখার জন্য এসব চাঁদাবাজি বন্ধ করা উচিত।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিসিসিআই সভাপতি হোসেন খালেদ। এছাড়া মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. জিয়াউর রহমান।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/এপি/জুন ০৪, ২০১৬)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert
Symphony

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে